শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

News Headline :
১৮ জুলাই পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলির ঘটনার কোন বিচার হবে না ? মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ গৃহবন্দি

মাচায় শোভা পাচ্ছে শত শত সোনালী রঙের তরমুজ

Reading Time: 2 minutes

শেখ ইমন,ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার পল্লীতে মাচায় তাইওয়ানের গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজ চাষ হচ্ছে। উন্নত জাতের এ তরমুজ চাষে ফলন ভাল হওয়ায় খুশি চাষিরা। দেশি প্রযুক্তিতেই মাচায় এ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মৃত দিয়ানত সর্দারের ছেলে মোশারফ হোসেন। তিনি ৬০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। মাচার নিচেই ঝুলছে নেটে বাঁধা হলুদ শত শত তরমুজ। দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও তেমন সুস্বাদু ও রসালো। রোপণের অল্প সময়ের মধ্যে বাজারে বিক্রি করা যায়। অল্পদিনের এ তরমুজ চাষ বেশ লাভজনক। প্রতিদিন দূর-দুরান্ত থেকে লোকজন ছুটে আসছে এই সোনালী রঙের তরমুজ দেখতে। পরিপাটি মাচায় শোভা পাচ্ছে শত শত সোনালী তরমুজ। তরমুজ চাষি মোশারফ হোসেন জানান, শখ করে এ জাতের তরমুজ চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছেন। ৬০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করতে তার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা আর বিক্রি করেছেন ১ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা। এখনো মাঠে রয়েছে অনেক তরমুজ। তিনি এবারই প্রথম এ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন, প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তী বছরগুলোতে মাচাসহ কাঠামো থেকে যাওয়ায় খরচ অনেক কমে আসবে। সাধারণত শীতকালে বীজ রোপণ করে বর্ষা মৌসুমের আগেই কেনাবেচা শেষ হয়। তিনি আরো জানান, এ জাতের তরমুজ বছরে ২ বার হয়ে থাকে। বছরের মাঘ মাসের দিকে রোপণ করা হয়। আবার একই বছরের ভাদ্র আশ্বিন মাসে রোপণ করা হয়। প্রতিবারই ৬০-৭০ দিনের মধ্যে তরমুজ ঘরে চলে আসে। তিনি মাঘ মাসের দিকে তাইওয়ানের গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজ বীজ রোপণ করেন। রোপণের ৩০/৩৫ দিনের মধ্যে মাচায় উঠে যাওয়া গাছে ব্যাপকভাবে ফুল ও কুড়ি চলে আসে। এরপর ৬০-৭০ দিনের মাথায় ফসল ঘরে আসতে শুরু হয়। স্বাদেও অতুলনীয় বলে বাজারে এ তরমুজের ব্যাপক চাহিদা। তরমুজের ওজন ২ কেজি থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রতিটা তরমুজ ১০০- ৪০০ টাকা বিক্রি করছেন বলে জানান মোশারফ হোসেন। ব্যতিক্রমী এ তরমুজ চাষ নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকরাম হোসেন বলেন, এটা একটি নতুন প্রযুক্তি, এলাকায় একেবারেই নতুন চাষ। এর ফলন ও দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা বেশ লাভবান হবে। কৃষকদের পাশে থেকে সব সময় প্রযুক্তি সহায়তা দিয়ে যাবেন যাতে করে এ তরমুজ চাষে অন্যান্য কৃষকেরা উৎসাহ পায়। ইতিমধ্যে এ কৃষককে ৩ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com